অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়

সকল নিউজ ফেসবুকে পেতে লাইক দিয়ে ফলো করুন

অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় ও কৌশল নিয়ে পোস্ট টি পড়ুন এবং না বুঝলে কমেন্ট করুন। অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে ভালো করে বুঝে পড়বেন কেননা, ইন্টারনেট এ অনেক বিষয়ে আয় করার উপায় আছে। এগুলোর কিছু ইনভেস্ট ফ্রি মেথড সম্বন্ধে ধারণা দিব এবং উপায় ও আবশ্যিক উপাদান নিয়ে বলব। এবং সেগুলো কিভাবে পাবেন তাও বলার চেষ্টা করব।

প্রথমে কিছু দরকারি কথা বলব তারপর কাজ নিয়ে কথা বলব। বিজ্ঞ আইটি তে ভিজিট করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। নিয়মিত ভিজিট এ আপনি পাচ্ছেন এমন অসংখ্য জ্ঞান এবং আমাদের পক্ষ থেকে অফার এবং সার্ভিস।

অনলাইনে আয় এর কিছু ব্যক্তিগত পদক্ষেপ

ধৈর্য ধারণের গুরুত্ব

অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় গুলো তেমন জটিল নয়। এর জন্য আপনাকে শুধুমাত্র সময়, ধৈর্য এবং মেধাকে বিনিয়োগ করতে হবে। এই তিন এর মিশ্রণ এ আপনার অনলাইনে আয় হবে সফল, বিনা খরচে বা স্বল্প খরচে। খরচ বলতে ইন্টারনেট খরচ বা এ ধরনের সামান্য কিছু। কেননা আমি ফ্রি মেথড গুলো নিয়েই বিস্তারিত বলব।

আপনি যদি স্টুডেন্ট হন তবে এক রকমের কাজ ধরতে হবে আবার চাকরি প্রার্থী হলে ধরবেন আরেক রকমের।

আগেই বলি, যে রকমের কাজ ই করুন প্রথম দিকে আয়ের তেমন সম্ভাবনা দেখবেন না। কেননা শুরুতে আপনাকে কেও চিনেও না। র‍্যাংক হওয়া অবধি সামান্য ধৈর্য ধরবেন। একবার শুরু হয়ে গেলেই হলো। আর আয় করা থেকে আপনাকে কেও পিছিয়ে রাখতে পারবে না।

কিভাবে কাজ পাবেন?

আর আপনি জানলে খুশি হবেন যে, অনলাইনে কাজ করতে গেলে আপনাকে অনেকে খুঁজছে। অনেকেই আপনাকে বিভিন্ন ধরনের কাজ দেওয়ার জন্য প্রধানত আপনার মত অনেককে খুঁজছে। আপনার কাজ হলো তাদের কাছে নিজেকে পৌঁছানো এবং নিজের যোগ্যতা দেখিয়ে ভালো পজিশন নেওয়া।

আর, আমি তাদের কাছেই নিজেকে পৌছানোর জন্য বলছিলাম অনলাইনে আয় সফলভাবে করার জন্য। কিন্তু আপনাকে কিছু বিষয় নিয়ে জানতে হবে না হলে আয় করার বদৌলতে ঠকা খাবেন। যে বিষয় বা মার্কেটিং জানেন না, বুঝেন না কারোর প্ররোচনায় তাতে পা দিবেন না। এই পোস্ট এ কমেন্ট করেও সাহায্য নিতে পারেন বা বিজ্ঞ আইটি তে Contact করতে পারেন।

তো, এতক্ষণ বকবক করলাম প্রাথমিক বিষয় নিয়ে যেগুলো জানা থাকা অত্যন্ত ভালো। এখন আলোচনা করব কিভাবে এগুলোর সাথে কানেক্টেড হবেন। কিভাবে ভালো মার্কেটপ্লেস খুজবেন, কি শিখবেন, কিভাবে শিখবেন এবং আপনার জন্য কোনটি সহজ। তবে আপনি কি পছন্দ করবেন বা কোনটি আপনার জন্য মানানসই কিংবা কোনটি আপনার সীমা বা আয়ত্বের ভিতর সেটা আপনাকেই বুঝতে হবে। তবে আমি বারবার বলি কিছু না বুঝলে কমেন্ট করতে, Contact করতে দ্বিধাবোধ বা লজ্জাবোধ করবেন না।

আপনি আপনার সীমার ভিতরে থেকে একটি পছন্দ করতে পারবেন। তবে ভাববেন না যে এটি থাকলে এটা করে ভালো আয় করতে পারতাম। কেননা, এটি(যেমন:বয়স, ID কার্ড) এজন্যই আপনার নেই কেননা আপনি এখনো এর যোগ্য না। নিজের যোগ্যতার ভিতর কাজ খুঁজবেন ও পরিশ্রম করবেন।

অনলাইনে আয় ভিত্তিক কাজের ধরণ

যোগ্যতা ভিত্তিক

আপনি ছাত্র হলে বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় কাজ আপনার জন্য আছে। অনলাইনে আয় ভিত্তিক কাজ প্রথমে কম পাবেন আস্তে আস্তে বাড়বে। এজন্যই Beginner-Expert আগলানো থাকে। তবে এটি কখনো হেয় করে আগলানো না আপনি কি পরিমাণ কাজ করেছেন ও আয় করেছেন তার মানবন্ঠন।

আপনি এক জনের পরে কাজ শুরু করেছেন, শিখেছেন এটি অবশ্যই আপনার দোষ না। তবে আমার মত এই কাজ থেকে ওই কাজে দৌড়বেন না কিংবা সব গুলো একসাথে শিখতেও যাবেন না।

হ্যা, আপনি সবই শিখবেন তবে তাড়াহুড়ো করে না। ধীরে, সুস্থে সময়ের কাজ সময়ে করে ও ধৌর্য সহকারে, আবারো বলি ধৈর্য ধরে। যেটি ধরবেন জোঁকের মত আখড়ে থাকবেন, সফলতা ধরা দিবেই, নিশ্চিত। আবারো অন্য কথায় চলে গেলাম।

আপনি যেহেতু একজন বিগিনার তাই আপনাকে প্রথমে কাজ শিখতে হবে। নিচে বিভিন্ন ধরণের কাজের লিস্ট দিলাম। মনের মধ্যে সাহস রেখে বাছাই করুন কোনটি ধরবেন।

কাজের প্রস্তুতি

যেহেতু অনলাইনে আয় করার জন্য কাজ করছেন লেখালিখি বা টাইপিং প্রধান হাতিয়ার। তাই, টাইপিং স্পিড ভালো রাখতে হবে। অভ্র অথবা বিজয় একটি শিখুন ও টাইপিং নিয়মিত প্র‍্যাকটিস করুন।

আরেকটি প্রধান, গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী হাতিয়ার হলো ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ স্কিল। এ নিয়ে আর বলতে হবে বলে আমি মনে করি।না। তবে গ্রামাটিক্যাল এ ভালো জোর দিতে হবে।

অনলাইনে আয় এ যে অনেক কিছু দরকার তা না। তবে কিছু কিছু উপাধান যা না হলেই নয়। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো বয়স। বয়স এর উপড় নির্ভর করে আপনি পাবেন আইডি কার্ড, মাস্টার কার্ড, ব্যাংক ইত্যাদি। এমনকি আন্ডার এইটটিন হলে এডসেন্স ই দিবে না। তবে একটু জালিয়াতি করা যেতে পারে।

আয়ের উৎসসমূহ

অনলাইনে আয়ে ব্লগিং

অনলাইনে আয় - ব্লগিং

প্রাথমিক ধারণা

ব্লগিং বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অনলাইনে আয় ভিত্তিক পেশা বা বৃত্তি। ব্লগিং আপনার মেধার উপড় নির্ভর করে, তবে ধৈর্য প্রধান হাতিয়ার। কেও ব্লগিং করে মাসিক আয় করে $১০০০-$২০০০ আবার কেও $১-$২ দুই ও না।

আমি বিষয়টি বুঝাই ভালো করে। যে কম পরিশ্রম করল, কম মেধা খাটিয়ে বা ভাবনা চিন্তা করে আর্টিকেল লিখল। কিংবা লিখল সম্পূর্ণ অনলাইনে আয় করার উদ্দেশ্যে সে কিভাবে অনলাইনে আয় করবে? সে ১০০ ওয়ার্ড এর একটি আর্টিকেল লিখে ঘেমে যাবে তাও লিখবে অগোছালো করে। অথচ ১০০০ ওয়ার্ড এর নিচে আর্টিকেল হলে সার্চ ইঞ্জিন পাত্তাই দিবেনা।

আর তার ওয়েবসাইট এর র‍্যাংক টাই বাড়বে না ফলে এডসেন্স, সার্চ ইঞ্জিন কিছুই তাকে গুরুত্ব দিবেনা। এডসেন্স নাহয় তাকে এপ্রোভ করল কিন্তু সিপিসি মানে এড এর দাম বা মান কম দিবে। কম দামি এড এ প্রতি ক্লিক এ সে পাবে ০.০১$ = ০.৮৭ টাকা মাত্র। আর ইউজার তার পোস্ট পড়তে না চাইলে কেন এড এ ক্লিক করতে যাবে? এর সুযোগ ই পাবেনা।

অন্যদিকে যে প্রতি সপ্তায় কষ্ট করে ২-৩ টি আর্টিকেল লিখবে যা ১০০০ এর অধিক শব্দ সংখ্যক। এবং তার আর্টিকেল ভালো ও ইউজার পড়ে খুশি হলো তাতে সে আয় করতে পারবে।

অনলাইনে আয় এরকমই। সে যদি এরকম নিয়মিত লেখে তাহলে ইউজার রা তার ওয়েবসাইট টি চিনে নেবে এবং তাকেও চেনে নেবে। তার ফেসবুক বা টুইটার আইডিও এভাবে ফলো করে এক সময় তার ইউজার দাঁড়াবে অনেক। সে তাদের কাছ থেকে প্রচুর সাইট র‍্যাংক পাবে এবং গুগল, এডসেন্স এ তাকে সাপোর্ট করবে।

আপনিই ভাবুন গুগোল নিজে এত উন্নত কিভাবে হলো? এমনি এমনি? আচ্ছা, তো এডসেন্স তাকে দামি এড দিলো যার সিপিসি হয় ৫$ এরো উপড়। অর্থাৎ ভেবে দেখুন কত আয় তার হবে। এখন এই তার কে আপনার এবং তাকে আপনি ভেবে কাজ শুরু করলে আপনিও অনলাইনে আয় করবেন এভাবে। সিপিসি কিওয়ার্ড প্ল্যানার থেকে দেখা যায়।

ব্লগিং এর পদ্ধতি

ব্লগিং অনেক ধরণের আছে তবে আপনাকে অত কিছু বোঝার দরকার নেই। প্রাথমিক একটি ব্লগিং ধরলেই এর হাত ধরে ধিরে ধিরে সব জেনে নিবেন। ব্লগিং করতে হলে অবশ্য একটি ওয়েবসাইট লাগে। যেমন biggoit.com আমার পার্সোনাল ব্লগ।

কিন্তু ওয়েবসাইট আপনার হলেও হবে আবার অন্যের টা দিয়েও হবে। অন্যের ব্লগে লেখালেখি করে আয় করতে পারেন আবার অনেকে কপি পেস্ট এরো কাজ দেয়। এগুলোর সন্ধান পেতে এখানে খুঁজুন আর্টিকেল লিখে আয় | কপি পেস্ট করে আয়।

তবে নিজের ব্লগ আয় টা অপেক্ষাকৃত বেশি। কিন্তু সমস্যা আগের উধাহরণ এর মত পরিশ্রম করতে হয় কেননা নিজেই সব। ওই ওয়েবসাইট টা ডেভেলপ এর জন্যই আপনাকে কাজ দিয়েছে তাই ভেবে দেখতে হবে। কপি পেস্ট এর কাজের বেলা তো আরো সোজা। আর এই সোজা হওয়ায় আয়ও কম।

আয়ের উৎস

যাই হোক ব্লগিং করে আয়ের উৎস হলো বিজ্ঞাপন বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। তবে এগুলো পেতে সামান্য কষ্ট করতে হবে। বিভিন্ন এড নেটওয়ার্ক এড দিয়ে থাকে। এডসেন্স তো সবার উপড় বাংলাদেশে নজর দিলে আছে Green-Red, Adplay, wap4dollar ইত্যাদি। যারা তেমন যাচাই না করে কোড দিয়ে দিবে।

কিন্তু এডসেন্স এর জন্য অন্তত সাইট এর বয়স ৩ মাস হতে হবে, এতে আপনার ই লাভ। এই বিষয়ে আমি প্রথমে খুবই রাগ করতাম যা এখন আমি নিজেই উপলব্ধি করছি।

আপনার হয়তবা এডসেন্স পেতে ঝামেল হতে পারে। এডসেন্স এর জন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। এই পোস্ট জেনে নিবেন এডসেন্স এপ্রুভ না হলে কি করবেন

তবে যে নেটওয়ার্ক ভালো সিপিসি দেয় সেটাই সিলেক্ট করবেন। আর আপনার টার্গেট থাকবে এডসেন্স আর কিছুই না। এ ব্লগিং করেই আপনি এক সময় ১০০০$ করে আয় করতে পারেন। শুধুমাত্র পরিশ্রম করতে হবে ও ধৈর্য ধারণ করতে হবে।

ডিভাইস

ব্লগিং করতে আপনার এন্ড্রয়েড প্লাটফর্ম টাই যথেষ্ট যা দিয়েই সহজে কাজ করতে পারবেন। অনলাইনে আয় করতে গেলে ভাবতে পারেন যে অনেক দামি ডিভাইস লাগবে আসলে তা না।

আপনি প্রথমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন তারপর একটি টেক্সট ফাইল বানাবেন। সেখানে একটু একটু করে পোষ্ট টি লিখবেন এবং একসময় পাবলিশ করে দেবেন। সুতরাং, এই সুযোগ টি আপনি পিসি দিয়ে পাবেন না। যখন ই সুযোগ পেলেন কাজ করতে বা লিখতে বসে গেলেন। আর আপনার কাছে যখন কিওয়ার্ড জানা তখন আর সে অনুযায়ী এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট ও হয়ে গেলো। তবে এগুলো না জানলে বিজ্ঞ আইটি তে ভিজিট করে এবং শিখে নিতে পারবেন।

ক্যাপচা এন্ট্রি

অনলাইনে আয় - ক্যাপচা এন্ট্রি

ধারণা
অনলাইনে আয় এর জগতে সহজ একটি কাজ যার জন্য আপনাকে কিছুই শিখতে হবে না। শুধুমাত্র একটি ক্যাপচা সার্ভিস ওয়েবসাইট এ একাউন্ট খুলবেন, ক্যাপচা এন্টি করবেন ও ডলার পাবেন। ক্যাপচা কি তা তো আর জানেন ই। বিভিন্ন ওয়েবসাইট এ এনক্রিপশন এর জন্য একটি হিউম্যান ভেরিফিকেশন পদ্ধতি। দক্ষ প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে এটি যাচাই করে ইউজার একজন মানুষ না রোবট। আর এই ক্যাপচা সার্ভিস টি দ্বারা তারা ব্যবসা করে। তাই এ কাজ তো আর কয়েকটি ক্যাপচা দিয়েই হবে না, লাগবে লক্ষ লক্ষ ক্যাপচা। তাই তারা তাদের এই কাজটি অন্য কাওকে দিয়ে করিয়ে নেয়। আপনি এখানে কাজ করতে চাইলে কিছুই শিখতে হবে না। কাজের শুরুতে তারা শুধুমাত্র আপনাকে দেখিয়ে নেবে যে কিভাবে করবেন বা কিভাবে বুঝবেন। তবে হ্যা, অতি আয়ের লোভে তাড়াহুড়া করবেন না কেননা ভুল করলে ডলার কেটে নেবে। এরা ডলার ও দেয় আবার বিটকয়েন পে করে। যাই করুক না কেন বিটকয়েন কিছু প্রসেস এর মাধ্যমে বিকাশ এর মাধ্যমেই আনানো যায়।

কিভাবে করবেন?

গুগল এ সার্চ করলে এরকম সেবা অনেক পাবেন। তবে বাংলাদেশি পাবেন না, বাংলাদেশ কোনো ক্যাপচা সার্ভিস দেয় না। জনপ্রিয় একটি ক্যাপচা প্রতিষ্ঠান হলো 2captcha.com এটি অনেক পপুলার। এখানে গিয়ে শুধুমাত্র সাইন আপ করবেন, ইমেইল ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে। কিংবা ফেসবুক, টুইটার দিয়েও সাইন আপ হবে। তারপর, প্রথমে আপনাকে একটু পরিশ্রম করে শিখে নিতে হবে। এটি বিরক্ত লাগবে ঠিক কিন্তু এখানে মন দিয়ে না শিখলে আপনি পরে প্রচুর পস্তাবেন। তাই মনোযোগ দিয়ে শিখুন। ভুল করবেন না, মনোযোগ দিয়ে তাড়াতাড়ি করার চেষ্টা করবেন। দিনে যদি ১$ ও আয় করেন তবে মাসিক ৩০$ যা বাংলা ২৬০০ টাকার সমান। সামান্য কাজ করে এটা মন্দ না। তবে আপনি যদি বেশি করবেন তবে আরো অনেক করতে পারবেন। তাই যে ২৬০০ এটি সর্বোচ্চ না, হতে পারে এটি আপনার সর্বনিম্ন।

ইউআরএল সর্টেনিং – অনলাইনে আয়

অনলাইনে আয় - ইউআরএল সর্টেনিং

ধারণা
ইউআরএল সর্টেনিং নাম দেখে কি মনে হলো? নতুন হলে ভাবছেন, আপনাকে একটি ইউআরএল দিয়ে বলবে শর্ট করার জন্য? না, এটি জোর করে ইউজার দের এড দেখানোর একটি কৌশল মাত্র। কখনো কি এমন হয়েছে যে, একটি লিংক এ ক্লিক করলেন আর একটি বিজ্ঞাপন দেখালো ও বলল স্কিপ এড? তাহলে আপনি ইউআরএল সর্টেনিং বাস্তবে দেখলেন। তবে এ মাধ্যমে যেহেতু কাউকে জোর করে এড দেখানো হলো তাই এডভার্টাইজার রা কম পে করেন। অনলাইনে আয় এর জগতে এটি অন্য একটি সহজ কাজ। আপনি শুধুমাত্র একটি লিংক টার্গেট করবেন ও একে শর্ট করলেন, তাতে কেও ক্লিক করলেই হলো। এটা হোক আপনার লিংক বা অন্য কারোর, নিজে ক্লিক করলেও চলবে। তবে কাউকে ভুল বা মিথ্যা লিংক দিবেন না এতে আপনার ই ক্ষতি।

কাজের ধারা

বিভিন্ন ধরণের ইউআরএল শর্টেন সার্ভিস আছে যা গুগল এ সার্চ করলেই পাবেন। তবে shorte.st তে আপনি ফিচার্স একটু বেশি পাবেন। সাইন আপ করেই আর কিছু করতে হবে না, তবে চাইলে এবাউট মি পূর্ণ করতে পারেন। নিচের চিত্র টিতে ক্লিক করে সরাসরি সাইন আপ করুন।

অথবা এখানে ক্লিক করুন

তবে চেক করে নিবেন তাদের পেমেন্ট মেথড কি? যদি আপনার কাছে মেথড সুবিধাজনক না মনে হয় তবে আর কি করার অন্যটি দেখুন। সাইন আপ করা অবস্থায় শুধু আপনার ড্যাশবোর্ড এ যান। এখানে একটি ইনপুট ফিল্ড পাবেন যেখানে লিখা থাকবে “Shorten Link and Get Paid”। এখানে শুধু আপনার লিংক টি দিবেন ও যে শর্টলিংক টি পাবেন তা কোথাও টুকে রাখবেন। আপনার উদ্দেশ্য এটি এমনভাবে শেয়ার করা যাতে এটি প্রচুর লোকে ক্লিক করে। যত ক্লিক, তত আয়।

কিভাবে শেয়ার ও ক্লিক বাড়াবেন

আমি জানি এই হেডলাইন টি দেখে খুব খুশি হয়েছেন, যা একজন অনলাইনে আয় এর বিগিনার এর জন্য স্বাভাবিক। আপনি নিশ্চই চিন্তা করেছেন এত ক্লিক কিভাবে করাবো। বিশেষত যাদের নিজের ওয়েবসাইট আছে তাদের জন্য এটি সহজ। আপনার ওয়েবসাইট না থাক্লেও উপায় আছে। আপনি ইউআরএল শর্ট করলে এটি অনেকটা এরকম দেখাবে https://shorte.st/s8nak1m। এই ইউআরএল টি শুধুমাত্র শেয়ার করতে হবে। অনেক জায়গায় এটি শেয়ার করতে পারেন, তা নিচে দেখুন।

সোশাল শেয়ার

আপনি ধরুন একটি খবর পড়লেন যেটি খুবই চমৎকার। খবরটির লিংক কপি করে এটি শর্ট করুন। ফেসবুকে এমন কিছু গ্রুপ এ শেয়ার করুন যাতে মেম্বার যাই হোক, পার পোস্ট লাইক, কমেন্ট অনেক। সেখানে এমনভাবে লিখুন যেন কেও এমন না ভাবে যে এটি আপনার আয়ের জন্য। এভাবে লিখুন “এ কি শুনলাম? ” তারপর ২/৩ লাইন লিখে লিংক দিয়ে দিন। এভাবে না করলে অনেক গ্রুপ এটি এপ্রুভ ই করবে না লিংক থাকায়। তারা জানে অনলাইনে আয় করার জন্যই আপনি এমন করছেন। একটি গ্রুপে শেয়ার করে বসে না থেকে অনেক গ্রুপে শেয়ার করুন। কারণ, শুধুমাত্র একটি লিংক এ ক্লিক এ আপনাকে অনেক টাকা দিয়ে দিবে না। তবে আপনি পেপাল এ তুললে মাত্র ৫$ হলেই তুলতে পারবেন (৪৩৫ টাকা) উপড়ের সার্ভিস টি থেকে।

পোস্টিং

এবারে টেকটিউনস এ ও কিছু জনপ্রিয় সাইট এ একটি করে একাউন্ট খুললেন। এবারে অন্য সাইট থেকে বিভিন্ন দরকারি পোস্ট যাদের ভিউ অনেক তা কপি করলেন। এবারে এটি পোস্ট করবেন এগুলো তে। এগুলোর।মধ্যে যত লিংক পাবেন চাইলে নিজেও কিছু এড করে লিংক শর্ট করবেন, এগুলো বদল করে পাবলিশ করবেন। তখন যেই এটাতে ক্লিক করবে তাতে আপনার আয় হবে। আবার এক সাইট এর পোস্ট অন্য খানে কপি পেস্ট করবেন। এভাবে, আবার বিভিন্ন লোকের কমেন্ট এও লিংক রাখবেন। যেখানে কোনো আকর্ষণীয় কিছু পেলেন তার লিংক শর্ট করে শেয়ার করবেন।

ওয়েবসাইট মনেটাইজেশন

নিজের ওয়েবসাইট থাকলে তো আর আয়ের শেষ নাই। shorte.st তে এমন একটি অপশন(website monetization) আছে যা দিয়ে প্রতি লিংক থেকে আয় করতে পারেন। ইউজার আপনার সাইট এর যে লিংক এ(Read More এও) ক্লিক করবে তখন ই এড দেখাবে এ আয় হবে। এর জন্য shorte.st এর ড্যাশবোর্ডে যান ও টুলস থেকে Website Monetization এ যান। সেখানে আপনাকে একটি স্ক্রিপ্ট দেবে যা আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট এ রাখতে হবে। তাহলেই প্রক্রিয়া টি হয়ে যাবে। তখন কেও আপনার ওয়েবসাইট এর যেকোনো লিংক এ ক্লিক করা মানেই আপনার আয়। আপনি চাইলে রেফার ও করতে পারেন। এতেও আয় হবে অর্থাৎ, আপনি কাউকে রেফার লিংক দিয়ে তাতে কাজ করার জন্য বলবেন। এগুলো আমার ব্যক্তিগত কৌশল, অনলাইনে পড়ে আরো অনেক কৌশল পাবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অনলাইনে আয় - এফিলিয়েট মার্কেটিং
affiliate marketing cycle illustration design over a white background

ধারণা

অনলাইনে আয় এর রাজ্যে অন্যতম একটি পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত মার্কেটিং সিস্টেম হলো এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমানে অনেক অনলাইন কর্মীদের পছন্দ। বিশেষ করে যারা ব্লগার তারা এই কাজ টি বিশেষত করে থাকে। কেননা, এটি হলো অনলাইন ট্রেডিং একটি মাধ্যম যেখানে আপনি একটি ব্যবসা করবেন। অ্যাফিলিয়েট সেবা প্রদানকারি প্রতিষ্ঠান তারাই যারা অনলাইনে আয় করে অনলাইনে দ্রব্য বিক্রি করে। যেমন, রকমারি ডট কম কিংবা দারাজ ডট কম যদিও আমি জানি না এরা অ্যাফিলিয়েট দেয় কি না। রকমারি ডট কম তার অ্যাফিলিয়েট কারিকে একটি লিংক বা ব্যানার(এইচটিএমএল) দিবে। যেকোনো উপায়ে আপনাকে ইউজার কে এই লিংক এ ক্লিক করিয়ে একটি পণ্য কিনাতে হবে। তখন আপনি পণ্যের হতে একটি কমিশন পাবেন, হয়তবা ৫% আবার ২০%। এটিকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে, অর্থাৎ অনেকটা দালালি(খারাপ ভাববেন না)।
উপায়
অনলাইনে আয় করতে গেলে কিছু পরিশ্রম করতেই হয়। তাই আপনাকে পণ্য বিক্রি করাতে হলে অবশ্যই কোনো মাধ্যম লাগবে। যেমন, আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকলে সেটিকে জনপ্রিয় করতে হবে। তখন এতে এড দিলে তা সেল হবে যার জন্য আপনাকে প্রচুর ভিজিটর আনতে হবে। আপনাকে একটি লিংক দেওয়া হবে যেটিকে শেয়ার করতে হবে। এবারে যদি আপনি আগে বর্ণনাকৃত ইউআরএল শর্টেনিং এর মত লিংক টি শেয়ার করেন তবেও হবে। আগের মত গ্রুপে গ্রুপে গিয়ে শেয়ার করতে পারেন। তবে গুগল এ সার্চ করলে এরকম অনেক উপায় পাবেন। Amazon.com, ClickSure.com, ClickBank.com এর মত জনপ্রিয় সাইট গুলোতে অ্যাফিলিয়েট সিস্টেম রয়েছে। কিন্তু, এর জন্য আপনাকে ইংরেজি ভাষায় কাজ করতে হবে।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট থেকে আয় করুন

এটি অবশ্য বিগিনার দের জন্য না। কিন্তু যদিও আমরা ওয়েব ডেভেলপার দের কে অনেক যোগ্যতা সম্পন্ন মনে করি, আসলে কিন্তু তা না। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখা মোটেও কঠিন কাজ নয়। এর জন্য আপনাকে টাকা দিয়েও শিখতে হবে না। এইচটিএমএল, জাভাস্ক্রিপ্ট, পিএইচপি, সিএসএস সব কিছুই শিখতে পারবেন w3schools.com থেকে। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে আপনাকে খুব বেশি দিন লাগবেও না। তবে হুট করে অনেক বড়।কাজ ও আপনি পাবেন। আর যেকোনো যায়গায় কোডিং করতে গিয়ে আটকে গেলে জিজ্ঞেস করতে পারবেন stackoverflow.com। আর কাজ পাবেন upwork.com, freelancer.com ইত্যাদি থেকে। লোকাল কাজ ও পাবেন যদি তেমন জনপ্রিয় হতে পারেন।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এ একটি লাভজনক এবং সহজ পেশা হলো ওয়ার্ডপ্রেস। ওয়ার্ডপ্রেস জানা লোকের দর ও আছে। তাই আপ্নিও শিখতে পারেন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট এবং আয়ের পথ খুলতে পারেন

আজকে এত টুকুই। পরে আশা করছি আরো লম্বা করব পোষ্ট টি। পোস্ট টি পড়লেন। এত লম্বা, লিখতে নিশ্চয় অনেক কষ্ট হয়েছে। কিছু আপনারা ও কমেন্ট এ কিছু না লিখলে কি ভালো লাগে?
এখন আপনার কাছে একটি প্রশ্ন কি ধরনের কাজ টি আপনার কাছে ভালো লাগলো? আপনি কোনটি পছন্দ করলেন? অবশ্যই বিজ্ঞ আইটি তে নিয়মিত ভিজিট রাখবেন আরো জানার জন্য।

If the post contains copyright contain report by Commenting with proof. I'll delete this in 12h

2 Comments

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *