এসইও টিউটোরিয়াল – এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল

সকল নিউজ ফেসবুকে পেতে লাইক দিয়ে ফলো করুন

এসইও টিউটোরিয়াল এর পোষ্ট টির টপিক হলো এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল। বস্তুতপক্ষে, আমরা আর্টিকেল এর জন্যই এসইও করি। এবং এসইও নতুন ওয়েবসাইট বা কম র‍্যাংক এর ওয়েবসাইট এর জন্য একটি অবশ্যই করণীয়। তবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখা এত সহজ ও নয় আবার তত কঠিন ও নয়। এসইও এর ফুল মিনিং হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। বিভিন্ন ধরণের সার্চ ইঞ্জিন আছে তারা যেন আমাদের পেজটি তাদের সার্চ রিজাল্ট এ একটি উল্লেখযোগ্য পজিশন এ রাখে এবং আমাদের ব্যবসার সফলতায় ভুমিকা রাখে। তবে প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন কিছু লজিক বা যুক্তির ভিত্তিতে সার্চ রিজাল্ট শো করে তা এখানে আলোচনা করা যাক। সুতরাং এসইও টিউটোরিয়াল টি মনযোগ দিয়ে পড়ি।

এসইও টিউটোরিয়াল সার্চ ইঞ্জিন এ কার্যাবলী

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল এর কিছু নিয়ম বিশেষত ট্রিক্স রয়েছে যেগুলো আপনাকে জানতে হবে আর তাই নিয়মিত ভিজিট রাখবেন বিজ্ঞ আইটি তে।

এসইও টিউটোরিয়াল টির প্রথমে আপনার সাইট সকল সার্চ ইঞ্জিন এ এড করুন। নিচের লিংক গুলোতে ক্লিক করে যেতে পারেন এড ইউআরএল পেজ এ।

Google : Add Url

Bing : Add Url

Yahoo : Add Url

তবে অন্তনপক্ষে গুগল এ। কেননা বাংলাদেশে গুগল জনপ্রিয়। আমি কখনো ইয়াহু বা বিং ইউজ করিনি সার্চ করতে। অত:পর সাইটম্যাপ সাবমিট এবং ইন্ডেক্স করতে হবে যা বিজ্ঞ আইটির অন্য পোষ্ট গুলো পড়ে শিখতে পারবেন। এখন যে বিষয় টি নিয়ে আলোচনা করতে বসেছিলাম তাই করি অর্থাৎ এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখার কৌশল লিখি।

এসইও টিউটোরিয়াল : বাংলা এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখার নিয়ম

আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস সিএমএস ব্যবহার করে থাকেন তবে প্লাগিন ব্যবহার করে খুব সহজেই এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে পারবেন।

কিওয়ার্ড: এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল এর প্রধান জিনিস বা একক বস্তু টি হলো কিওয়ার্ড। আমরা সার্চ ইঞ্জিন এ সার্চ করার জন্য যে কিছু শব্দ লিখি তার এক একটি হলো একেকটি কিওয়ার্ড। কিওয়ার্ড ডেনসিটি অধিক হলে সার্চ ইঞ্জিন পেজ কে স্প্যাম মনে করে। তাই কিওয়ার্ড ডেনসিটি বা কিওয়ার্ড এর ঘনত্ব যেন সর্বোচ্চ ২.৫ থাকে। তবে আপনি যদি এটি কম সংখ্যায় দেন তবে এটি কিওয়ার্ড বলেই গণ্য হবেনা। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে কিওয়ার্ড ডেনসিটি বের করবেন।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি হিসাব: আপনার আর্টিকেল টির মধ্যে কিওয়ার্ড টির ঘনত্বই হলো কিওয়ার্ড ডেনসিটি। তবে তা হলো আর্টিকেল এ কত শতাংশ বার এই কিওয়ার্ড টি ব্যবহার করা হলো তার পরিমাপ ই কিওয়ার্ড ডেনসিটি। অর্থাৎ ১০০টি শব্দে ১ বার ইউজ হলে ডেনসিটি ১%। এখন আপনার শব্দ ২৫০ এবং কিওয়ার্ড ৫ বার ব্যবহার হলে ডেনসিটি হলো (৫/২৫০)*১০০ = ২% অর্থাৎ প্রতি ১০০ শব্দে এটি ২বার ব্যবহৃত হলো যা ২.৫% এর কম এবং ভালো।

 

এখন যেহেতু এই কিওয়ার্ড ই আর্টিকেল এর প্রাণ তাই কোথায় কিভাবে এর ব্যবহার করবেন তা নিয়ে বিষদ আলোচনা করি। তবে তার আগে বলে রাখি, আপনার শব্দ সংখ্যা ৫০০ এর বেশি রাখবেন কেননা! আপনার আর্টিকেল এর শব্দসংখ্যা অন্য একজনের থেকে কম হলে আপনি সেক্ষেত্রে সামান্য পরিশ্রম এর বিভিন্নতার কারণে অন্যের থেকে পিছিয়ে পড়বেন। তাই অন্যের থেকে এগিয়ে থাকতে অনেক সময় নিয়ে ভালো আর্টিকেল অনেক শব্দে লিখবেন। আপনি চাইলে ১০০০,১৫০০ শব্দ দিতে পারেন। সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে বুঝে থাকে যে আপনার পেজ টিতে ইউজার এর খুশি হওয়ার এবং উপকৃত হওয়ার জন্য অনেক কিছু দেওয়া আছে। আর হ্যা আপনার যা লিখতে ৫মিনিট লাগবে ইউজার এর পড়তে তা হয়ত ২০ সেকেন্ড ও লাগবে না। তবে আপনি এই কয়েক মিনিট এর কষ্টেই হয়তবা অনেক লাভবান হতে পারেন। ইউজার যতক্ষণ আপনার পেজ এ থাকবেন ততক্ষণ আপনার এড এ ক্লিক করার সম্ভাবনা রয়েছে(আপনি উপরে Advertisement এ দেখতে পারেন একটি এড)।

টাইটেল ট্যাগ : টাইটেল ট্যাগ হলো একটি <title></title> এরকম html ট্যাগ। টাইটেল ট্যাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল এর জন্য। আপনার টাইটেল যেন আপনার কিওয়ার্ড এবং টপিক এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে তা খেয়াল রাখবেন। এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি চমৎকার টাইটেল লিখবেন যাতে ইউজার কে আপনার পেজ টির প্রতি আকৃষ্ট করতে পারেন। এবং টাইটেল এর শুরুতে আপনার কিওয়ার্ড রাখবেন। যেমন: কিওয়ার্ড Awesome paper flower হলে এটি টাইটেল এর শুরুতে রাখবেন Awesome paper flower creating with home instruments এভাবে রাখবেন। টাইটেল এ একই বিষয় এর পুনরাবৃত্তি না করে সুন্দর কম শব্দের টাইটেল লিখবেন। বেশি হলে তা সার্চ পেজ এ ভালো করে শো ও করবেনা।

ডিস্ক্রিপশন : ডিস্ক্রিপশন একটি মেটা ট্যাগ। এটার স্ট্রাকচার <meta name="description" content="your description less than 150 word"> এই ট্যাগ টির বিশেষত এন্ডট্যাগ নেই। কন্টেন্ট এ ডিস্ক্রিপশন লিখবেন যা ১৫০ শব্দের নিচে এবং ১০০ শব্দের অধিক লিখা বাধ্যতামূলক না হলে তা সার্চ ইঞ্জিন গুরুত্ব দিবেনা। যদি এটি না দিয়ে থাকেন তবে সার্চ ইঞ্জিন এটি পেজ এর ভেতর থেকেই নিয়ে নেবে। সার্চ ইঞ্জিন এও প্রথম দিকে কিওয়ার্ড টি সুন্দর করে ইউজার ফ্রেন্ডলি ডিস্ক্রিপশন লিখে নিবেন।

হেড ট্যাগ : হেড ট্যাগ মোট ছয়টি। <h1> থেকে শুরু করে <h6> পর্যন্ত এই ছয় টি ট্যাগ হলো হেড ট্যাগ। হেড ট্যাগ গুলোর কাজ টপিক(প্যারাগ্রাফ) আগলানো। যেমন এক ট্যাগ এর অধিন এক একটি প্যারা থাকা। একটি ট্যাগ এর অধিনে ১৫০ টির বেশি শব্দ থাকা ঠিক নয়। আমি টপিকের সাথে সামঞ্জস্য রাখার দায়ে এক হেডিং এর মধ্যে প্রায় ৫০০ ওয়ার্ড লিখে দিছি যা আপনারা নিজেদের নতুন ওয়েবসাইট এর আর্টিকেল এর ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন যেহেতু এগুলোর ভালো এসইও করা দরকার। এছাড়া বোল্ড ও ইটালিক অক্ষর ও ব্যবহার করবেন যা সার্চ ইঞ্জিন গুরুত্ব দে। তবে কমপক্ষে দুই টি হেড ট্যাগ এ অবশ্যই কিওয়ার্ড এড করবেন।

এসইও টিউটোরিয়াল টি শেষ করছি তবে আরেকটি বিষয় আবার বলে রাখি আপনার আর্টিকেল টি অনেক বড় আকারে লিখবেন। আপনি এসইও ফ্রেন্ডলি ১টি আর্টিকেল থেকে যত ভিউ পাবেন এসইও আনফ্রেন্ডলি অনেকটি থেকেও তা পাবেন না। আর নিজেই দেখে থাকবেন বড় পরিসরে লিখা আর্টিকেল গুলোতে ভিউয়ার অনেক বেশি থাকে। তাই আরোও এসইও টিউটোরিয়াল পেতে ভিজিট রাখবেন বিজ্ঞ আইটি তে এবং কমেন্ট মাস্ট করে জানাবেন কি কি জানালে ভালো হত।

If the post contains copyright contain report by Commenting with proof. I'll delete this in 12h

6 Comments

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *